🙏 ভক্তি
মা দুর্গার আরাধনা শক্তির উপাসনা।
যখন পুজো শুরু হবে, বার্তা পরিবর্তিত হবে
দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়—এটি বাঙালির আবেগ, শিল্প, সংস্কৃতি, খাদ্য ও সম্প্রীতির মিলনমেলা।
মা দুর্গার আরাধনা শক্তির উপাসনা।
প্রতিমা, আলপনা, প্যান্ডেল শিল্পকলা।
খিচুড়ি, লাবড়া, পায়েস—বাংলার স্বাদ।
ঢাকের তালে মাতোয়ারা উৎসব।
বাংলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজার রীতি ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
পুজোর মাধ্যমে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত করা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
পরিবেশ-বান্ধব উপকরণ ব্যবহার, বায়োডিগ্রেডেবল প্রতিমা এবং পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা।
প্রতিমা শিল্প, আলপনা, প্যান্ডেল স্থাপত্যের মাধ্যমে বাংলার শিল্পকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা।
ভোরবেলা মহিষাসুরমর্দিনী শ্রবণ ও চণ্ডীপাঠ।
পিতৃপক্ষের সমাপ্তি ও পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ।
মা দুর্গার বোধন ও আমন্ত্রণ।
প্রতিমায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও দীপ প্রজ্বালন।
কলার গাছ স্নান ও পূজার মাধ্যমে নবপত্রিকা স্থাপন।
মূল পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন।
অল্পবয়সী কন্যাকে দেবী রূপে পূজা।
১০৮ প্রদীপ ও পদ্মফুল অর্পণ—অষ্টমী-নবমীর সন্ধিক্ষণ।
অগ্নি মাধ্যমে আহুতি ও পূজার সমাপ্তি।
ঢাকের তালে ধুনুচি নাচ ও আরতি।
বিবাহিতা মহিলাদের সিঁদুর খেলা ও দেবী বরণ।
পুজোর সমাপ্তি ও বিসর্জন উৎসব।
মা দুর্গার আগমন বার্তা বহনকারী ঐতিহ্যবাহী গান।
শিল্পী: শ্রী সুব্রত চক্রবর্তী ও দল
ঢাকের তালে ধুনুচি হাতে নৃত্য—বাঙালির ঐতিহ্য।
শিল্পী: বাংলা লোকনৃত্য দল
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা-উপলক্ষে রচিত গান।
শিল্পী: শ্রীমতী মৌসুমী দত্ত
বাংলার ঐতিহ্যবাহী নাটক ও আবৃত্তির আসর।
শিল্পী: দক্ষিণ কলকাতা নাট্য দল
বিজয়ার প্রণাম, মিষ্টিমুখ ও সাংস্কৃতিক সমাপনী।
সকলের অংশগ্রহণ
প্রতিদিন পূজার পর ভোগ বিতরণ।
খিচুড়ি, লাবড়া, পায়েস ও লুচি-আলুর দম
দুর্গাপূজার প্রতিটি দিনের রয়েছে বিশেষ তাৎপর্য, আচার-অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্য।
📖 তাৎপর্য: দেবীপক্ষের সূচনা — পিতৃপক্ষের সমাপ্তি ও দেবীপক্ষের আরম্ভ।
🙏 আচার: চণ্ডীপাঠ, তর্পণ, মহিষাসুরমর্দিনী শ্রবণ
📖 তাৎপর্য: বোধন, আমন্ত্রণ — কল্পারম্ভ, চক্ষুদান, মা দুর্গাকে আমন্ত্রণ।
🙏 আচার: কল্পারম্ভ, বোধন, চক্ষুদান, অধিবাস, প্রদীপ প্রজ্বালন
📖 তাৎপর্য: নবপত্রিকা স্নান ও কলাবউ — ৯টি রূপের প্রতীক।
🙏 আচার: নবপত্রিকা স্নান, কলাবউ পূজা, সপ্তমীর পূজা, পুষ্পাঞ্জলি
📖 তাৎপর্য: মহাষ্টমী, কুমারী পূজা, সন্ধিপূজা — ১০৮টি প্রদীপ ও পদ্মফুল অর্পণ।
🙏 আচার: মহাষ্টমী পূজা, কুমারী পূজা, সন্ধিপূজা (১০৮ প্রদীপ)
📖 তাৎপর্য: মহানবমী, হোম, ধুনুচি নাচ — পূজার সমাপ্তি ও উল্লাস।
🙏 আচার: মহানবমী পূজা, হোম, ধুনুচি নাচ, আরতি
📖 তাৎপর্য: বিজয়া, সিঁদুর খেলা, বিসর্জন — দেবী বরণ ও বিদায়।
🙏 আচার: দেবী বরণ, সিঁদুর খেলা, প্রতিমা বিসর্জন, বিজয়া প্রণাম
সিংহ সাহস, শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। মা দুর্গা সিংহের পিঠে চড়ে অসুর বধ করেন।
আড়ম্বরপূর্ণ পারিবারিক অনুষ্ঠান, একচালা প্রতিমা।
গণজাগরণের অংশ, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ। ১৭৯০ সালে গুপ্তিপাড়ায় প্রথম বারোয়ারি পুজো।
থিম-ভিত্তিক প্যান্ডেল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
নারী — লাল পাড় শাড়ি, তাঁত, গরদ। পুরুষ — পাঞ্জাবি, ধুতি।
ঢাক, শঙ্খ, উলুধ্বনি, আগমনী গান, রবীন্দ্রসংগীত।

হাতের তৈরি চিত্রকলা, মাটির দেয়ালে ফুটে ওঠে।

শোলা দিয়ে তৈরি শিল্প, প্রতিমার মুকুট থেকে প্যান্ডেলের সাজ।

থিম-ভিত্তিক নির্মাণ—মন্দির, প্রাসাদ, পরিবেশ-বান্ধব নকশা।
মুগ ডাল ও চালের হালকা খিচুড়ি।
নানা সবজি দিয়ে রান্না।
দুধ, চাল, চিনি ও ড্রাই ফ্রুটস।
অনেক পুজোয় ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়।
বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে বসে অভিজ্ঞতা নিন আমাদের প্যান্ডেলের ৩৬০° ভ্রমণ।
১০৮ প্রদীপ ও পদ্মফুলের আয়োজন সম্পূর্ণ।
আগামীকাল সকাল ৬টায় পুষ্পাঞ্জলি ও কুমারী পূজা।
আপনার নাম ও গোত্র উল্লেখ করে ডিজিটাল অঞ্জলি নিবেদন করুন।
আমাদের পুজোর ইতিহাস—বছর বছর ধরে সাজানো স্মৃতি।






পুষ্পাঞ্জলি সাধারণত সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে দেওয়া হয়। বিস্তারিত "দৈনিক পুজো কর্মসূচি" দেখুন।
সন্ধিপূজা অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়। ১০৮টি প্রদীপ ও পদ্মফুল অর্পণ করা হয়।
খিচুড়ি, লাবড়া, পায়েস ও লুচি-আলুর দম প্রধান ভোগের পদ।
মহালয়া দিয়ে শুরু, যা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে হয়। এরপর ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত পাঁচদিন প্রধান পূজা।
ঢাকের তালে ধুনুচি হাতে নৃত্য, বিশেষ করে নবমীর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রী অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়

শ্রীমতী মৌসুমী দত্ত

শ্রী দেবাশীষ মিত্র

শ্রী সুনীল চক্রবর্তী
সকল সদস্য স্বেচ্ছাসেবী — পুজোকে সফল করতে প্রত্যেকের অবদান অনন্য।